সূর্যমুখী বাগানে শুভসকাল

সূর্যমুখী বাগানে শুভসকাল

গল্পের ছবিসকল

গত সপ্তাহ দুয়েক ধরেই ইচ্ছে সূর্যমুখী বাগান আর টিউলিপ বাগানে ঢুঁ মারা। যেহেতু সূর্যমুখী বাগান ঢাকা হতে সহজেই ঘুরে আসা যায়, তাই সুযোগ খুঁজছিলাম যাওয়ার, হয়ে উঠছিলো না। এমন করতে করতে গত মঙ্গলবার শুনলাম এই সপ্তাহের শেষে নাকি সিজন থাকবে না…  নেট ঘাটাঘাটি করেও তেমন নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য পেলাম না। সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম আগামী শুক্রবার যাব নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দি শেখ হাসিনা ব্রীজ সংলগ্ন সূর্যমুখী বাগান দেখতে।
কিন্তু অভাগা যেদিকে চায়, সেদিকে নাকি কি সব হয়। বুধবার আমার কোভিড ভেক্সিন এর দ্বিতীয় ডোজ এর তারিখ আসলো, পরের দিন সকালে। 😟 কোভিড ভেক্সিন নিয়ে আমি ছিলাম ঝামেলায়। মডার্না ছাড়া টিকা নেবো না, ব্যক্তিগত ইচ্ছা, প্রথম ডোজের তারিখ আসার পাঁচদিন আগে কোভিড আক্রান্ত হলাম গত বছর। এরপর তিন মাস কোন ভেক্সিন নেয়ার সুযোগ ছিলো না। এরপর মডার্না টিকা প্রদান বন্ধ। শেষে গত মাসে দিলাম প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ এর তারিখ পরলো আসলো গত পরশু। মেজাজ কেমন লাগে! টিকা নিয়ে অফিসে গেলাম, অফিস শেষে বাসায় এসে অপেক্ষায় রইলাম শরীর ব্যাথা আর জ্বর এর। প্রথম ডোজের সময় সকালে টিকা নেয়ার দশ বারো ঘন্টা পর রাতে সারা শরীর ব্যাথা আর প্রচন্ড জ্বর ছিলো প্রায় দুই দিন। এবার সারাদিন ভাল ভালয় কাটলে পরে মনে হচ্ছিলো তেমন সমস্যা হবে না, আগামীকাল ভোরবেলা রওনা হতে পারবো নরসিংদী। ঠিক রাত দশটা থেকে শুরু হল শরীর ব্যাথা আর আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো জ্বর। প্ল্যান হল ভণ্ডুল…

তো আজ ভোরবেলা ঘুম ভেঙ্গে গেল। গতকাল রাত হতেই জ্বর ছিলো না, শরীরে হালকা ব্যাথা ছিলো, কিন্তু ঘুম ভেঙ্গে দেখি সেটাও নেই। ক্যামেরার ব্যাটারি চার্জ দেয়াই ছিলো, ঝটপট তৈরী হয়ে নিলাম সূর্যমুখী সকালের সাক্ষী হতে। ছয়টায় বাসা হতে বের হয়ে যখন লোকাল বাস স্টপেজ পৌঁছলাম, ঘড়িতে সকাল সোয়া ছয়টা। মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করতেই সাইনবোর্ড হয়ে নারায়ণগঞ্জ চাষাড়াগামী একটা বাস চলে আসতেই সেটাতে উঠে পড়লাম, উঠতেই সিটও মিলে গেল, এই সাত সকালেও পুরো বাস যাত্রীতে ঠাসা।

মিনিট বিশেকের মধ্যে সাইনবোর্ড পৌঁছেই দেখি কিশোরগঞ্জগামী “যাতায়াত” পরিবহণ ছেড়ে যাচ্ছে। টিকেট করে উঠে পড়লাম, গন্তব্য নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ। খুব দ্রুতই বাস ছুটছে, মাঝে মাঝেই যদিও যাত্রীও তুলছে। আমার ইচ্ছে সকাল আটটার আগে আগে সূর্যমুখী বাগানে পৌঁছে যাওয়া। চিটাগং রোড কাউন্টার থেকে বাস যখন ছেড়েছিলো ঘড়িতে তখন সকাল ঠিক সাতটা। রূপগঞ্জ পার হয়ে আড়াইহাজার অতিক্রম করার সময় ঘটলো ঘটনা, কোন একটা গাড়ী বিকল হয়ে রাস্তা আটকে গেছে; পাক্কা পঁয়তাল্লিশ মিনিট সেখানে জ্যামে আটকে থাকার পর গাড়ী ধীরে ধীরে চলতে শুরু করলো। আমার মেজাজ গরম, কারণ আজকে আবার আমার ডেন্টিস্টের কাছে এপয়নমেন্ট সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ… 😭

যাই হোক সাড়ে আটটার আগে দিয়ে পৌঁছে গেলাম সাহেপ্রতাপ। সেখান থেকে শেয়ারড ব্যাটারি রিকশায় চলে গেলাম একেবারে শেখ হাসিনা সেতু যা স্থানীয়ভাবে “নাগরিয়াকান্দি ব্রীজ” নামেই অধিক পরিচিত। অটো রিকশাচালক ছেলেটির বয়স বিশ এর মত হবে। ও আমাকে ব্রিজ এর উপর হতে সূর্যমুখী বাগানে যাওয়ার একটা সিঁড়ি বানানো পথের মুখে নামিয় দিলো। উপর হতে দুয়েকটা ছবি নেয়ার চেষ্টা করলাম, বাগানে ভালভাবে ফুটে থাকা ফুলের সংখ্যা খুব কম। 

সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে এলাম, প্রবেশপথে একটা ছেলে বসে আছে। আমি আগে থেকে জানি, এখানে প্রবেশ ফি ২০ টাকা জনপ্রতি, কিন্তু সে আমাকে কোন টিকেটের কথা বললো না, তার কাছ থেকে কিছু তথ্য জানতে চাইলে একটা বীজ এর প্যাকেট খুঁজে বের করে দিলো। সেটার ছবি তুলে নিয়ে ভেতরে ঢুঁকে গেলাম। ছোট ছোট প্লটে বেড করে সূর্যমুখী গাছগুলো লাগানো। কোন কোন বেড এর প্রায় সব গাছ মরে গেছে, কোনটার আবার সদ্য কলি গজিয়েছে, একেবারের ভেতরের দিকের বেডে ফুটে থাকা বেশ কিছু ফুলের দেখা মিললো, এগিয়ে গেলাম সেই দিকে।

সূর্যমুখী বাগানের ঠিক পেছনেই নদী, ইঞ্চিন নৌকার শব্দ আর কিছু পাখীর কিচির মিচির ছাড়া কোন শব্দ নেই, আমি ছাড়া কোন মানুষ নেই। হাতে সময় বেশী থাকলে এখানে কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে শুয়ে থাকতাম কিছুটা সময়। এই বাগানে সূর্যমুখীর পাশাপাশি ডেকোরেশন এর জন্য গাঁদাফুল এবং আরও কয়েকটি ফুলের শেড দেখলাম। পর্যটকদের উঁচু হতে সূর্যমুখী’র ভিউ দেয়ার জন্য বাঁশের মাচা তৈরী করা আছে, আছে সেলফি তোলার জন্য আলাদা একটা বোর্ড ভিউ। 

বাগানের প্রবেশ মুখেই রয়েছে সুন্দর করে সাজানো প্রবেশপথ। মাঝপথে আরও একটি প্রবেশ পথের মত সাজানো পথ। বুঝাই যাচ্ছে, আগত পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে ভালোই আয়োজন করা হয়েছে এখানে। যে ছেলেটির সাথে একেবারে সম্মুখ অংশে দেখা হয়েছিলো, সেখানে গাছের চারা, বীজ, সার এসব বিক্রি করা হয়, এমনকি মাস্ক ছাড়া প্রবেশ  নিষেধ বলে মাস্ক ছাড়া পর্যটকদের কাছে বিক্রি করার জন্য রয়েছে ওয়ানটাইম সার্জিকাল মাস্ক। বেশ কিছু ছবি তুলে, কিছু ভিডিও করে ফিরতে উদ্যত হলাম। একেতো খুব বেশী ভাল অবস্থায় থাকা ফুল নেই বাগানে এখন, আর তার সাথে আমাকে দ্রুত ঢাকায় ফিরতে হবে। 

ফেরার সময় জেনে নিলাম কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য, আগ্রহী ভ্রমনেচ্ছুদের জন্য। এরপর সেই ব্রীজের একেবারে প্রান্তের রাস্তা হতে অটোরিকশা নিয়ে চলে এলাম সাহেপ্রতাপ। সেখানে এসে নরসিংদী টু ঢাকা রুটের মেঘালয় পরিবহণের বাসে উঠে পড়লাম। বাসে উঠলাম যখন তখন পৌনে দশটা বাজে ঘড়িতে। তখনো সকাল থেকে কোন দানাপানি পেটে পড়ে নাই। সাহেপ্রতাপ থেকে পাঁচদোনা হয়ে মাধবদী আসতেই আধাঘণ্টা খরচ করলো বাসটি। মাধবদী আসলেই কামাল ভাই এর কথা মনে পড়ে।  গত জানুয়ারীর শেষে সর্ষে ফুলের খোঁজে এসেছিলাম আড়াইহাজার, উনার অনুরোধে এবং ভালবাসার আহবানে ফেরার পথে উনার সাথে দেখা করেছিলাম এবং আরও এক প্রিয় বড় ভাই’কে সাথে নিয়ে আমরা তিনটি জমিদার বাড়ী ঘুরেছিলাম সেদিন। আজকেও হাতে সময় থাকলে উনার সাথে দেখা করতাম, কিন্তু হাতে যে সময়ই নেই।

মজার ব্যাপার মাধবদী হতে কাঁচপুর আসতে লাগলো মাত্র আধঘন্টা। সাইনবোর্ড নেমে ফিরতি বাসে নিজের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম বেলা এগারোটায়, কিন্তু বিপত্তি ঘটলো মেয়র হানিফ উড়াল সেতুতে দীর্ঘ জ্যামে আটকে থেকে। পনের মিনিট এর রাস্তা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে পাড়ি দিয়ে বাস হতে নেমে রিকশাযোগে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকতে দেখি ঘড়ির কাঁটা বারোটা পেড়িয়েছে। দাঁতের করাচ্ছি রুট ক্যানেল, প্রেসক্রিপশন-এক্সরে কিছুই সাথে নিতে ভুলে গেছি ভোরবেলা। ডাক্তার ব্যাটা বলল, আপনার না সকাল দশটায় আসার কথা, প্রেসক্রিপশন কই… আমি মুখ কাচুমাচু করে বললাম, স্যার সকাল ছয়টায় নরসিংদী রওনা দিয়ে সেখান থেকে সরাসরি আপনার এখানে এসেছি… বেচারা গলে গেল, ভাগ্য ভালো জিজ্ঞাসা করে নাই, কেন গিয়েছিলেন। দাঁতে প্রায় আধঘন্টার খোঁচাখুঁচি শেষে যখন বাসায় ঢুকছি, তখন জোহরের আযান দিচ্ছে পাশের মসজিদে, আমি এখনো অভুক্ত। তার উপর দাঁতে দিয়ে দিছে ফিলিং করে কিছু, আরও আধঘন্টা থাকো অভুক্ত। থাক কোন ব্যাপার না, না খেয়ে সারাদিনও ঘোরাঘুরি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ্‌। 


ভ্রমণ পরিকল্পনা এবং পরামর্শ

যারা সূর্যমুখী ফুলের বাগান ভ্রমণে ইচ্ছুক তাদের জন্য বলছি, ঢাকার আশেপাশের মধ্যে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকার সূর্যমুখী বাগান, গাজীপুরের জয়দেবপুরে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটের সূর্যমুখী ফুলের বাগান, সাভারের বলিয়ারপুরে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মজলিসপুরে, কুমিল্লার দেবীদ্বার গুনাইঘর পূর্বপাড়ায়, ফরিদপুর শহরের অদূরের ডোমরাকান্দি গ্রামে দেখা পাবেন সূর্যমুখী বাগানের। আরও থাকলে থাকতে পারে, আমার জানা নাই, জানালে সংযুক্ত করে দেবো। আগে আমাদের পুরাতন ঢাকার লালবাগ কেল্লায়ও সূর্যমুখী ফুলের অনেকগুলো গাছ ছিলো। প্রায় বছর বিশেক হবে লালবাগ কেল্লায় প্রবেশ করি নাই, তাই এখনকার অবস্থা জানা নেই।

তো আমি আপনাদের আমার আজকের ভ্রমণ করা সূর্যমুখী বাগানের সারসংক্ষেপ বলে দিচ্ছি। প্রথমেই আপনাকে আসতে হবে নরসিংদী। নরসিংদীগামী যে কোন বাসে নরসিংদী নতুন বাসস্ট্যান্ড এসে নামতে হবে আপনাকে। এছাড়া কিশোরগঞ্জগামী বাসে করে সাহেপ্রতাপ এসে নামলেও হবে। দুই জায়গা হতেই আপনাকে অটোরিকশা বা সিএনজি করে চলে যেতে হবে নাগরকান্দিয়া সেতু তথা শেখ হাসিনা সেতু। আর ব্যক্তিগত বাহনে গেলে নীচে গুগলম্যাপ লোকেশন দিয়ে দিচ্ছি। 

গুগল লিংকঃ https://goo.gl/maps/dynRwVBtmq3vA6Jq6

Google latitude & longitude: 23.906581,90.7077193,

বাসে করে গেলে ঢাকার উত্তরাংশে যদি আপনার বসবাস হয় আপনি কুড়িল বিশ্বরোড হতে বিআরটিসি’র এসি বাসে করে আরামে চলে আসতে পারেন নরসিংদী। আর ঢাকার দক্ষিণে হলে আপনি গুলিস্থান, যাত্রাবাড়ী, সাইনবোর্ড, চিটাগং রোড যে কোন জায়গা থেকে বাস ধরতে পারেন। তবে সময় বাঁচাতে হলে চিটাগং রোড চলে আসুন, সেখান থেকে বাস ধরুন। তবে এক্ষেত্রে ভালো সিট পাওয়াটা অনেক সময় সম্ভব না ও হতে পারে। বাসে করে আসলে সকল খরচ মিলে তিনশত টাকার মধ্যে হয়ে যাওয়ার কথা। আর খাবার দাবার লোকাল রেস্তোরায় সেরে নিতে পারবেন। নিজস্ব বাহনে আমার মত সকালবেলা ঢাকা থেকে রওনা দিলে রাস্তায় কোন অস্বাভাবিক জ্যাম না থাকলে বাগান ঘুরে বাসায় ফিরে দুপুরের লাঞ্চ করতে পারবেন অনায়াসে। 

আর সারাদিনের প্ল্যান থাকলে সেখান হতে চলে আসুন ড্রিম হলিডে পার্ক। দিনের বাকীটা সময় আনন্দ উপভোগ করে সন্ধ্যের পর ঢাকায় ফিরুন। যার প্রাচীন নিদর্শন পছন্দ করেন তারা আশে পাশে থাকা বেশ কিছু জমিদার বাড়ী ঘুরে দেখতে পারেন। এগুলো ভ্রমণ শেষে চাইলে বিশনন্দী ঘাটে সূর্যাস্ত দেখে ঢাকায় ব্যাক করতে পারেন। আর হ্যাঁ, আপনাদের জন্য যে তথ্য শেয়ার করছি, বাগানে সাইনবোর্ড টানানো আছে, পরবর্তী সূর্যমুখী ফুল ফোঁটার সম্ভাব্য তারিখ মার্চ মাসের শেষাংশ। তাই মার্চ মাসের শেষ শুক্রবার বা তার আগে পরে যে কোন সময়ে ঘুরে আসতে পারেন এখানকার সূর্যমুখী বাগানটি। ফুল গাছে ভাল অবস্থায় থাকে মোটে পনেরো দিন, গাছ রোপণের উৎকৃষ্ট সময় নভেম্বর-ডিসেম্বর, তবে এই সময়কাল নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ। তো যাচ্ছেন নাকি এরকম একটা সূর্যমুখী সকালের মুখোমুখি হতে। আর হ্যাঁ, ফুল বেলা বাড়ার সাথে সাথে সতেজতা হারায়, এটা মাথায় রেখে যাবেন অবশ্যই।

 

ভ্রমণকালঃ ২৬শে ফেব্রুয়ারী, ২০২২

মন্তব্যসমূহ

Translate

বোকা পর্যটকের কথা

মানুষ যেমন হঠাৎ করেই কারো প্রেমে পড়ে, ঠিক তেমনই করে আমিও প্রেমে পড়েছি ভ্রমণের। আজব এক নেশায় নেশাগ্রস্থ, কবে থেকে জানি না। তবে নিজের আর্থ-সামাজিক অবস্থানে লড়াই করে টিকে থাকার পর ভ্রমণে মনঃসংযোগ করতে উদ্যত হই। সেই থেকে যখনই সময়-সুযোগ হয় বেড়িয়ে পড়ি ঘর হতে, ভ্রমণের তরে। মজার ব্যাপার হল, আমি সাইক্লিস্ট নই, সাঁতার কাটতে পারি না, না পারি ট্র্যাকিং, হাইকিং, ক্লাইম্বিং। কোন ধরণের এডভেঞ্চারধর্মী কোন গুণই আমার নেই, শুধু আছে ভ্রমণের শখ আর অদম্য ইচ্ছাটুকু। আর সেই ইচ্ছা থেকেই সময় সময় আমার ঘুরে বেড়ানো আর সেই গল্পগুলো লিপিবদ্ধ করে রাখা এই ডায়েরীতে। আমার এই লেখাগুলো বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এবং ব্যক্তিগত ডায়েরীতে লেখা ছিল; সেগুলো সব একত্রে সংরক্ষণ করে রাখার নিমিত্তেই এই ব্লগ। যদি আপনাদের কারো এই লেখাগুলো কোন কাজে লাগে তবে আমার পরিশ্রম কিছুটা হলেও সার্থক হবে।

পোস্ট সংরক্ষণাগার

যোগাযোগ ফর্ম

প্রেরণ